Bartalive24
সর্বশেষবাংলাদেশরাজনীতিঅর্থনীতিবিশ্বখেলাপ্রযুক্তিবিনোদনস্বাস্থ্যলাইফস্টাইলচাকরিমতামত

বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রাথকে গুলি করে হত্যা

বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রাথকে গুলি করে হত্যা
গুলি করে খুন শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ককে!
অনলাইন ডেস্কবুধবার, ৬ মে, ২০২৬ এ ৯:০৫ PM

মধ্যমগ্রাম (উত্তর ২৪ পরগনা), ৬ মে — সদ্য সম্পন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক হিংসার আবহে আরও একটি ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড ঘটল। বিজেপির বিরোধীদলীয় নেতা ও মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) চন্দ্রনাথ রাথকে বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চন্দ্রনাথ রাথ তাঁর কালো রঙের স্করপিও গাড়িতে বসে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলছিলেন। গাড়িতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্টিকার লাগানো ছিল। এই সময় মোটরবাইকে আসা কয়েকজন দুষ্কৃতী একেবারে কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনায় মোট চারটি গুলি ছোড়া হয়, তার মধ্যে তিনটি গুলি চন্দ্রনাথ রাথের শরীরে লাগে — দুটি বুকে এবং একটি পেটে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে দ্রুত একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ঘটনায় চন্দ্রনাথের গাড়িচালকও আহত হন। তাঁকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুলির আঘাতে গাড়ির জানালার কাচ ভেঙে যায়।

"এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের জন্য তৃণমূল কংগ্রেস এবং মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রতিন ঘোষ সরাসরি দায়ী।"

— শুভেন্দু অধিকারী, বিরোধীদলীয় নেতা, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা

খবর পেয়ে শুভেন্দু অধিকারী নিজে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তাঁর সঙ্গে আসেন প্রাক্তন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং দলের একাধিক শীর্ষ নেতা। মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে এবং ব্যাপক পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। সিআরপিএফের মহাপরিচালক জিপি সিংও ঘটনাস্থলে আসার কথা জানানো হয়।

চন্দ্রনাথ রাথ ছিলেন ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) প্রাক্তন কর্মী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করতেন এবং বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতার কার্যনির্বাহী সহকারীর দায়িত্ব পালন করছিলেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সম্পন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ১৫ বছর পর তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতাচ্যুত করে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী নিজেও তৃণমূলের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর রাজনৈতিক ঘাঁটি ভবানীপুরে ১৫,০০০ এরও বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন। এই নির্বাচনের ফলাফলের পর রাজ্যে নির্বাচন-পরবর্তী হিংসার একাধিক ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করলেও বিজেপির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। দলটির পাল্টা অভিযোগ, গত তিন দিনে বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতীদের হাতে তিনজন তৃণমূল কর্মী নিহত হয়েছেন। পুলিশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে হামলাকারীদের পরিচয় ও হত্যার উদ্দেশ্য নিশ্চিত করেনি এবং তদন্ত চলছে।

শেয়ার করুন:

"রাজনীতিতে বিজয়ের দাপুটে অভিষেক: প্রথম ভোটেই কেল্লাফতে তামিল থালাপতির।"

"রাজনীতিতে বিজয়ের দাপুটে অভিষেক: প্রথম ভোটেই কেল্লাফতে তামিল থালাপতির।"
ছবি ‌‌-সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক সোমবার, ৪ মে, ২০২৬ এ ৩:২৭ PM

তামিল সিনেমার রুপালি পর্দা থেকে রাজনীতির ময়দান—থালাপতি বিজয়ের জয়যাত্রা অব্যাহত। জীবনের প্রথম নির্বাচনে নেমেই রাজকীয় এক জয় ছিনিয়ে নিলেন এই সুপারস্টার।

প্রথমবার নির্বাচনে দাঁড়িয়েই রেকর্ড গড়তে চলেছেন অভিনেতা জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর। তাঁর দল টিভিকে বর্তমানে তামিলনাড়ু বিধানসভার প্রধান দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পথে, যারা ১০৪টি আসনে এগিয়ে আছে। যেখানে ক্ষমতাসীন ডিএমকে জোট ৫৮ এবং বিরোধী এআইএডিএমকে ৭১টি আসনে লড়াই করছে, সেখানে বিজয়ের এই একক আধিপত্য সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। সরকার গঠনের ম্যাজিক ফিগার ১১৮-এর খুব কাছে পৌঁছে গেছেন তিনি। রুপালি পর্দাকে চিরতরে বিদায় জানিয়ে রাজনীতিতে আসা এই তারকার শেষ সিনেমাটি আগামী ৮ মে প্রেক্ষাগৃহে আসছে, যা দীর্ঘ অপেক্ষার পর সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়েছে।

শেয়ার করুন:

বোনের মৃত্যুর প্রমাণে কবর খুঁড়ে কঙ্কাল নিয়ে ব্যাংকে হাজির ভাই

বোনের মৃত্যুর প্রমাণে কবর খুঁড়ে কঙ্কাল নিয়ে ব্যাংকে হাজির ভাই
ছবি: সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্কমঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ এ ২:২২ PM

ভারতের ওড়িশা রাজ্যের কেওঁঝর জেলায় এক নজিরবিহীন ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃত বোনের ব্যাংক হিসাব থেকে মাত্র ২০ হাজার টাকা তুলতে গিয়ে কবর খুঁড়ে কঙ্কাল তুলে ব্যাংকে হাজির হন এক ব্যক্তি।

ভারতীয় একাধিক জাতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে পাতনা ব্লকের মালিপোসি এলাকায় অবস্থিত ওড়িশা গ্রামীণ ব্যাংকের একটি শাখায়।

জানা যায়, দিয়ানালি গ্রামের ৫০ বছর বয়সী জিতু মুন্ডা তার বড় বোন কালরা মুন্ডার (৫৬) ব্যাংক হিসাব থেকে ২০ হাজার টাকা তুলতে চেয়েছিলেন। দুই মাস আগে অসুস্থতায় মারা যান তার বোন। জীবিত অবস্থায় গবাদিপশু বিক্রি করে ওই অর্থ জমা করেছিলেন তিনি।

জিতু মুন্ডার অভিযোগ, বারবার ব্যাংকে যাওয়ার পরও তাকে বলা হচ্ছিল অ্যাকাউন্টধারীকেই উপস্থিত হতে হবে। বোনের মৃত্যুর কথা জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি বলে দাবি তার। এতে হতাশ হয়ে তিনি কবর খুঁড়ে বোনের কঙ্কাল তুলে এনে সেটিই মৃত্যুর প্রমাণ হিসেবে ব্যাংকে নিয়ে আসেন।

ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি একটি ব্যাগে আংশিক মোড়ানো কঙ্কাল কাঁধে নিয়ে ব্যাংকের দিকে হাঁটছেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় থানার কর্মকর্তারা জানান, জিতু মুন্ডা একজন অশিক্ষিত ব্যক্তি এবং মৃত্যুর পর ব্যাংক হিসাব পরিচালনার নিয়ম সম্পর্কে তার কোনো ধারণা ছিল না। এছাড়া, মৃত নারীর অ্যাকাউন্টে মনোনীত ব্যক্তিও আগে মারা যাওয়ায় বিষয়টি আরও জটিল হয়ে পড়ে।

পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে এবং কঙ্কালটি পুনরায় যথাযথভাবে দাফন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে দ্রুত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অর্থ তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক জটিলতা, সচেতনতার অভাব এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ব্যাংকিং সেবা প্রাপ্তির সীমাবদ্ধতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

শেয়ার করুন: